Header Ads

আমাদের জন্য লিখুন!

পেঁপে বীজ খাওয়ার আশ্চর্যজনক স্বাস্থ্য উপকারিতা

যদিও অধিকাংশ মানুষ পেঁপের বীজ ফেলে দেয়। হয়ত তারা জানেনা পেঁপের বীজের কত স্বাস্থ্য উপকারিতা। পেঁপে বীজ শুধুমাত্র ভোজ্য নয়, আপনার দৈনিক খাদ্যের সাথে অল্প পরিমাণে তা আপনার জন্য আশ্চর্যজনকভাবে উপকার হতে পারে।

মনে রাখবেন যে, পেঁপে বীজ পেপের মধ্যে পার্থ পার্থক্য অনেক। অর্ধেক চা চামচ পেঁপে বীজ, পেঁপে ফল খাওয়ার মতো নয়। বীজের মধ্যে একটি শক্তিশালী গন্ধ আছে যা সরিষা এবং কালো মরিচের মত।

আপনি যদি এই গন্ধ সয্য করতে পারেন তাহলে পোস্ট টি পড়ে যান। এ বীজ খুবই উপকারী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং উন্নত স্বাস্তের জন্য পুষ্টিগুণে ভরপুর।

পেঁপের বীজ খেলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়:

ক্যান্সার প্রতিরোধ: ক্যান্সার প্রতিরোধে পেঁপের বীজ খুব কার্যকরী। পানি ও দইয়ের সঙ্গে পেঁপের বীজ ব্লেন্ড করে জুস বানিয়ে নিয়মিত পান করলে যকৃত ভালো থাকে।

হজম বৃদ্ধি: হজমের সমস্যা থাকলে আজ থেকেই খাওয়া শুরু করুন পেঁপের বীজ। এটি হজম শক্তি বৃদ্ধি করে পেট ভালো রাখে। শরীরের ভেতর প্রোটিন ফাইবারকে ভাঙ্গতে এই বীজ সাহায্য করে।

ত্বক মসৃণ: দেহের ত্বক মসৃণ ও সতেজ রাখতে পেঁপে ও পেঁপের বীজ খুব উপকারী। ত্বক উজ্জ্বল করতেও এই খাবার সাহায্য করে।

ডেঙ্গু জ্বর: ডেঙ্গু প্রতিরোধে পেঁপের বীজের তুলনা নেই। ডেঙ্গু জ্বর হলে প্লেটলেট কমতে শুরু করে। এসময় নিয়মিত পেঁপের পাতা ও বীজ খেলে প্লেটলেট স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে।

পিরিয়ডে: নারীদের  পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে তীব্র ব্যথা উপশমের জন্য পেঁপের বীজ অত্যন্ত কার্যকরী। এ সময় পেঁপে বীজের সঙ্গে ১ চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারলে ব্যথা অনেক কম বোধ হবে।

মুখের যত্নে: পেঁপের বীজ আর পাতা বেটে ফেস প্যাক বানিয়ে মুখে লাগাতে পারেন। ঘনত্ব কমাতে এর সঙ্গে সামান্য পানিও মিশিয়ে নিতে পারেন। মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিন। সপ্তাহে অন্তত ২ থেকে ৩ দিন এমন করতে পারলে তৈলাক্ত ত্বক আর ব্রণ-ফুসকুড়ির সমস্যা থেকে সহজে মুক্তি পাওয়া যায়।

লিভারের সমস্যা: লিভারের সমস্যা দূর করতেও পেঁপের বীজ উপকারী। এটি খেতে পারলে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সামান্য পানি আর দইয়ের সঙ্গে পেঁপে বীজ মিশিয়ে নিয়মিত খেতে পারলে লিভার ভাল থাকে।