Header Ads

সঠিক সময় খাবার খাওয়ার গুরুত্ব

সঠিক সময়ে ও সঠিক পরিমাণে খাবার খাওয়া খুবই গুরুত্বপুর্ণ । সময়মতো না খেলে শরীর ও মস্তিষ্ক কর্মক্ষম থাকে্না ও মানসিক বিকাশ সঠিকমতো হয়না। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস নিত্যদিনের কাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আসুন জেনে নিই সারাদিনের খাবার কখন ও কিভাবে খাবেন।

দৈনন্দিন খাবারের নির্দিষ্ট সময়সূচি:

সকালের নাশতা:

ঘড়ির কাঁটা ১০টার ঘরে পৌঁছানোর আগেই সকালের নাশতা সেরে ফেলা উচিত। সম্ভব হলে ৭টা বা ৮টার মধ্য়ে নাশতা করে ফেলতে পারলে আরও ভালো হয়। সকালে স্বাস্থ্যকর এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার খেলে তা সারাদিনের শক্তি যোগায়। মনোযোগ বৃদ্ধিতে আমাদেরকে সহায়তা করে। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে শরীরকে বিরত রাখে। তাই দুপুর বা রাতের খাবারের চেয়ে সকালের নাশতা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এটি কখনোই বাদ দেওয়া উচিত নয়। সকালের নাশতায় যেন পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন থাকে সে বিষয়টি নিশ্চিত করা উচিত।

দুপুরের খাবার:

দুপুর হওয়ার পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দুপুরের খাবার খেয়ে নেওয়া উচিত। তবে দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ২টার মধ্য়ে মধ্যাহ্নভোজ সেরে ফেলতে পারলে সবচেয়ে ভালো। সকালের নাশতা খাওয়ার চার থেকে ছয় ঘন্টা পর হলো লাঞ্চ সারার সেরা সময়। সকালের নাশতা এবং দুপুরের খাবারের মধ্যে অনেক লম্বা সময়ের ব্যবধান থাকা ঠিক নয়। আর এদের মধ্যে ব্যবধান যদি বেশি হয়েই যায় তাহলে মাঝখানে হালকা কিছু খেয়ে নিন।

রাতের খাবার:

ঘুমের অন্তত তিন ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে ফেলা উচিত। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে ৭টার মধ্য়ে রাতের খাবার সেরে ফেলা উত্তম। আর সেটি সম্ভব না হলে রাত ৯টার মধ্যে অবশ্যই খেয়ে ফেলার চেষ্টা করতে হবে। রাতের খাবারটি প্রোটিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ হলে ভালো হয়, তাহলে একদিকে সারারাত আর খিদে পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না এবং সেইসাথে শরীরে অতিরিক্ত ক্যালরি জমা হওয়ার সম্ভাবনাও কমে আসবে।

সময়মতো খাবার না খেলে সাথে সাথে হয়তো কোনো সমস্যা হয় না, তাই এ বিষয়ে অনেকে গুরুত্ব দিতে চান না। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এই বদঅভ্যাস শরীরের কর্মক্ষমতা অনেকাংশে কমিয়ে দিতে পারে। এজন্য গ্যাসট্রিকের সমস্যা সবচেয়ে বেশি হয় তাছাড়া বদহজম হওয়ার আশঙ্কাও থাকে। তাই ছোটবেলা থেকেই খাবারের সঠিক অভ্যাসটি গড়ে তোলা উচিত।